অন্ধ মনে আলো জ্বালুন
মনের অন্ধত্ব দূর করে নিজের কাজ ও ভাবনার দীর্ঘসূত্রিতা থেকে বের হয়ে আসুন।
আপনি যখন কোন পাখি বা পোষা প্রাণী লালন-পালন করেন। তখন যেভাবে একটা নির্দিষ্ট সময়ে খাবার দেয়ার কারণে প্রাণীটি শুধুমাত্র ঐ সময়ে খাবারের জন্য অপেক্ষা করে থাকে। তেমনি আমাদের মনকে আমরা যেভাবে ট্রেইনিং দিবো আমাদের মনও ঠিক সেভাবে ভাবতে শুরু করবে। এটা খুব কঠিন কিছু আদৌ নয়।
মনকে ইতিবাচক ভাবনা ও চিন্তায় প্রশিক্ষণ দিন
মনের কোন নির্দিষ্ট দৃষ্টিশক্তি নেই যদি না আপনি তাকে দেখতে উৎসাহিত করেন বা দেখাতে সাহায্য না করেন। আপনি যদি মনকে দেখাতে চান বা আপনি যেভাবে ভাবতে চান সেভাবে ভাবাতে চান তাহলেই শুধুমাত্র সে ঐভাবে ভাবতে পারে। যেমন অনেকটা কোড করা কম্পিউটার সফটওয়্যারের মত। আপনি যেভাবে কোড করবেন সফটওয়্যার ঐভাবেই কাজ করবে। এটা শুনতে একটু অন্যরকম মনে হলেও অনুশীলন করতে করতে আপনি সেটার প্রমাণ পেয়ে যাবেন। হয়তো কথাটা এভাবে বলা যায় যে অনেকটা চাঁদের মত, চাঁদের যেমন নিজস্ব কোন আলো নেই তেমনি মনের নিজস্ব কোন দেখার শক্তি নেই। আপনার দেখার শক্তি দিয়ে মন দেখতে পায়। তাই আপনার শক্তি কিন্তু অনেক বেশি। অনেকে হয়তো নিজের মন আর নিজের মধ্যে আলাদা পার্থক্য কে পাগলামী ভাবতে পারেন। আসলে বিষয়টা একই। তবে আলাদা করে দেখতে হবে তাদের জন্য যারা নিজের মনের উপরে নিজের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই এমনটা ভাবেন। আর অনিয়ন্ত্রিত ভাবে নেতিবাচক চিন্তা দিয়ে এতটাই পরাস্ত থাকেন যে নিজের শক্তি কে আর খুঁজে পান না। তখন আপনাকে ঐ মনের সাথে প্রশিক্ষণ দাতা হিসেবে কাজ করতে হবে।
আরেকটি উদাহরণ দিলে বুঝতে সহজ হবে যেমন ধরেন সবজি হিসেবে করল্লা (করলা) তেতো। আবার চিরতার রস তেতো। এটি সবার জন্য খুব একটা মুখরোচক কিছূ না। আর অনেকেই এটি খেতে চায় না। কিন্তু আবার অনেকের কাছে এটি খুবই পছন্দের খাবার বটে। তাহলে কি তাদের কাছে স্বাদটি পরিবর্তন হয়ে তিতা জিনিস মিষ্টি হয়ে যাচ্ছে? হাহাহা নিশ্চয়িই তা নয়। সেই স্বাদ একই রকম থাকলেও চিন্তা,ভাবনা ও দেখার দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন বা অভিযোজনের মাধ্যমে তেতো করল্লা পছন্দের হতে পারছে। আর এতে অভ্যাস বা বারবার অনুশীলনেরও প্রয়োজন রয়েছে।
রইলাে শুভকামনা।





Comments
Post a Comment